pyar or Khushi

pyar or Khushi injo this life

14/09/2024

✌️😜

13/09/2024

🤗✌️🤫😜

13/09/2024

🤍❤️🤍❤️

11/09/2024

🤍❤️😘

11/09/2024

🤗🤩🖤🏍️🏍️

10/09/2024

Tuta hua Dil 💔💔
Dubara pyar karne ka himmat nahin karta

10/09/2024
খাঁচায় বন্দী জীবন! শুধু পশুপাখি নয় মানুষের জীবন ও খাঁচায় বন্দি হয়। কিছু কিছু সময় কিছু মানুষের অবস্থা ঠিক একটি খাঁচা...
10/09/2024

খাঁচায় বন্দী জীবন!
শুধু পশুপাখি নয় মানুষের জীবন ও খাঁচায় বন্দি হয়। কিছু কিছু সময় কিছু মানুষের অবস্থা ঠিক একটি খাঁচা বন্দি পাখির মতনই হয়ে যায়। না সে তার ইচ্ছামতন কোথাও যেতে পারে না কোন কাজ করতে পারে সেই রকমই একটা গল্প আজকে।
একটি পরিবার যেখানে ডিসিপ্লিন সবচেয়ে আগে এমনকি হয়তো মানুষ মারা গেলেও ডিসিপ্লিন ভাবেই মরতে হবে সেই রকমই একটা পরিবারে ছোট্ট মেয়ে সে সবসময় স্বপ্ন দেখতো। একদিন সেও তার ক্লাসের অন্য বান্ধবীদের মতন সবার সাথে আনন্দ ফুর্তি কাটাবে!
কিন্তু বলে না সব আশা পূর্ণ হয় না ।
ছোট মেয়ে ঠিক যেমন হয় মিনি ও ঠিক সেই রকম ছিল। সবার সঙ্গে দুষ্টু মিষ্টি খুনসুটি অনেক অনেক গল্প অনেক অনেক খেলাধুলা করে দিন কাটাতে চাইতো।
কিন্তু যেহেতু সে একটি আভিজাত্য পরিবারের মেয়ে ছিল যেখানে লোকে কি বলবে এইটার উপরে বেশি গুরুত্ব দেয়া হতো। সেখানেই ছোট্ট মেয়ে মিনুর চাওয়া না চাওয়াতে কিছু যায় আসে না।

বাড়ি কোন অনুষ্ঠানে আত্মীয়দের সাথে বেশি কথা বললে মিনুর মা বকা দেয় এত কেন কথা বলিস চুপ হয়ে থাক লোকে খারাপ বলবে, ভালো মেয়েরা বেশি কথা বলে না।
মিনু বললো-ঠিক আছে মা তাহলে আমি একটু খেলাধুলা করি।
মিনুর মা-সব সময় খেলতে হয় না যা গিয়ে পড়তে বস ভালো মেয়েরা খেলাধুলায় সময় নষ্ট করে না পড়াশোনায় ধ্যান দেয় তবেই তো জীবনে বড় হতে পারবি সকলের নামটা করবে তোর। জানিস তো আমাদের বাড়ির কত নাম্বার সেটা তোকে ধরে রাখতে হবে তো, এইভাবে ফালতু কাজে তে সময় না দিয়ে মন দিয়ে পড়াশোনা কর।
মিনু নিজের বুকে এক রাজ কষ্ট চেপে ঘরের দিকে চলে গেল ( কেন সে কারো সাথে কথা বলতে পারবে না কেন তার মা তাকে পছন্দ করেনা সে কি তাদের মেয়েই না যদি সে তাদের মেয়ে হতো তাহলে সে কি তাকে এরকম কষ্ট দিত নাক?) আমি না হয় একটু কথা বলতে ভালোই বাসি, আমি না হয় অত বুঝি না কোথায় কোন কথা বলতে হয়। তো কি করব সবাই যদি আমায় কিছু জিজ্ঞাসা করে আমি কি বলবো না সেই জন্য আমাকে মা সবার থেকে দূরে রাখে যদি আমি কোন কথা বাড়ির লোককে জানিয়ে দিয়। আমার সব বন্ধুরা এদিকে ওদিকে ঘুরতে যাই কত খেলাধুলা করে কই তাদের বাবা-মা তো তাদেরকে বকে না তাহলে আমার সঙ্গে কেন এরকম হয় আমার কিচ্ছু ভালো লাগছে না। মাঝে মাঝে মনে হয় আমি যেন এক বন্দি পাচ্ছি কবে যে খাঁচা ভাঙবে কবে যে আমি উড়ে যেতে পারবো নীল আকাশে নিজের মতন স্বাস নিতে পারব মন ভরে, এই ভাবনাতে আরো চার পাঁচটি বছর কাটিয়ে দিল মিনু।
কিন্তু কই খাঁচা ভাঙ্গা তো দূরের কথা যেন আরো দু-তিনটে খাচার ভিতর তাকে রাখা শুরু হলো এটা করা যাবে না ওদিকে যাওয়া যাবে না সেদিকে যাওয়া যাবে না ওখানে দাঁড়ানো যাবে না এটা খাওয়া যাবে না এটা খেতে হবে। যেন একটি জেলখানার কয়েদি, বড় হওয়ার সাথে সাথে নিয়ম কানুন অনেক বাড়তে শুরু করল।
ওই মানুষটি খারাপ ওই মানুষের সাথে একদম মিশবে না ভালো মানুষদের সাথে মেসো যারা ভালো পড়াশোনা করে তাদের সাথে মেশো। তবে তুমি ভালো রেজাল্ট করতে পারবে। একজন ভালো মানুষ হয়ে উঠবে যারা লাস্ট বেঞ্চে বসে তাদের সাথে মিশলে তুমি তাদের মতনই হবে ওই জন্যই তো এত খারাপ রেজাল্ট করো। বোঝো না তোমার জন্য আমাদের নাক কাটা যাচ্ছে। তোমার বোনেদের দেখো তোমার দাদা দের দেখো। তারা কত সুন্দর রেজাল্ট করেছে তোমার জন্য আমার নাক কাটা যাচ্ছে। মিনুর বাবা রাগে তাকে বকুনি দিতে শুরু করে।
মিনুর আগে কষ্টে একা বসে কাঁদতে শুরু করলো তখন তার সঙ্গে একমাত্র কিছু গাছপালা আর নীল আকাশ আর যেন কেউ তার কথা বুঝতেই চায় না সে মনে মনে শুধু ভাবতে থাকে কবে আমি ওই আকাশে উড়ে যেতে পারবো। কেন আমি পাখিদের মতন কোন চিন্তা ছাড়া ভাবনা ছাড়া কোন কাজ করতে পারিনা কবে ভাঙবে খাঁচা? কবে আমার বাবা-মা আমাকে বুঝবে আমি তো চাই না এত এত বই নিয়ে পড়াশোনা করতে আমি চাই খেলাধুলা আর সকলের সাথে মিশতে কিন্তু আমি কেন পারব না। আমিও মানুষ কেউ কি এটা বোঝেনা আমি কি পাখি নাকি যে সব সময় তাদের কথা মত খাঁচার মধ্যে বসে থাকবো আমার ভালো লাগে না এই খাঁচার জীবন আমি মুক্তি চাই!

একটি গৃহস্থ বাড়ি যেখানে একটি হাসিখুশি পরিবার বাস করতোএকদিন হঠাৎ কারো নজর লেগে গেলো কি করে। এরপর এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতার মধ্...
09/09/2024

একটি গৃহস্থ বাড়ি
যেখানে একটি হাসিখুশি পরিবার বাস করতো
একদিন হঠাৎ কারো নজর লেগে গেলো কি করে। এরপর এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে ছিল তাদের । বাড়িতে যা কিছু ঘটছিল সবকিছু ভেবে বাড়ির সকলে অত্যন্ত ভয় পেয়ে গেছিল কি হবে এরপরে। বাড়ির সকলে অত্যন্ত ভালো দিন কাটাচ্ছিল ছোট বাচ্চাদের হাসি খেলা আনন্দ উল্লাসে নিতে থাকতো সেরকমই একটা দিন আজ !
সারাদিন সকালের বেশ ভালই যাচ্ছিল সকালে যে যার কাজ শেষ করে সন্ধ্যের এক কাপ চা ও বিস্কুটের সাথে একটু আড্ডা দিতে শুরু করলো। তখনই বাড়ির গোয়াল ঘরের চালে একটি গাছের ডাল হঠাৎ করে ভেঙে পড়ল না কোন ঝড় না কোন হাওয়া এই কান্ড সবাই একটু ভয় পেলেও অতটা গুরুত্ব দেয়নি। এবং বাড়ির মেয়েরাও যে যার কাজ আবার শুরু করে দিলো। ছোট্ট বাচ্চা মেয়েটি তার ঠাকুমার কোলে খেলা শুরু করলো। এবং তার মা সকলের জন্য খাবার বানাতে লাগলেন। তখনই হঠাৎ করে তাদের বাড়ির নিচে থেকে কেউ যেন একটি শুকনো ঘুটে ছুড়ে মারল যা একদম এসে পড়ল সেই গৃহিনীর পাশে! তিনি অবাক হয়ে গেলেন এবং তার শাশুড়িকে পুরো ঘটনাটি বললেন তার শাশুড়ি এবং বাড়ির অন্য সদস্যরা চারিদিকে খোঁজাখুঁজি করল কিন্তু কাউকে দেখতে পেল না ঠিক তারই পর মহুর্তে আবারো একই ঘটনা ঘটলো। তাও সবাই সেই ঘটনাটাকে ভুলে যে যার মতন খাওয়া-দাওয়া করে সেই রাতের মতন ঘুমিয়ে পড়ল তারা জানতই না যে তাদের উপর আর কি কি বিপদ ঘনিয়ে আসছে। আবারো পরের দিন সকালে সকালে যে যার কাজ নিয়ে ব্যস্ত। এবং সন্ধ্যার পরে একই রকম ভাবে আড্ডা দুষ্টুমি আর হাসি মজা শুরু হলো। রাতে খাওয়া দাওয়া করে সবাই যখন শুতে গেল তখনই হঠাৎ বিড়ালের কান্না ভেসে এলো বাড়ির এক সদস্যের কারণ তিনিও অত্যন্ত সাহসী এবং কৌতুহল পূর্ণ মানুষ ছিলেন তিনি সেটিকে বিড়াল ভেবে সেই ডাকটির নকল করতে শুরু করলেন তিনি যত নকল করতে গেলেন ততই ডাকতে আরো তীব্র আকারে ফিরে আসতে শুরু করল সকলে ভয়ে আর ঘুমাতে পারলো না। আজকের দিনও অনেক ব্যস্ত পূর্ণ ছিল কিন্তু সবার মনে ছিল একটি অজানা ভয়! পরের দিন রাতেও এমন একটি ঘটনা ঘটলো জিতে অবিশ্বাস্য এবং অত্যন্ত ভয়ানক বাড়ির একটি সদস্য যখন তার তার নিজের রুমে ঘুমাচ্ছিল তখনই ঘুমের মাঝে কেউ যেন তার হাত পা গলা চেপে ধরে রাখলো না সে কাউকে ডাকতে পারছে। না সে নিজেকে নিজে সাহায্য করতে পারছে। যখন সে ওই অশরীর সাথে লড়াই বেড়ে উঠছিল না ভেবেই নিয়েছিল যে সে আর বাঁচবে না ঠিক সেই মুহূর্তে বাড়ির আরেক সদস্য জল নেবার জন্য সেই দিক দিয়ে যাচ্ছিল তার আওয়াজ শুনে সেদিন কার মতন ওই আত্মাটি তার ক্ষতি না করে চলে যায়। এবং বাড়ির সকলে বুঝতে পারে এখানে নিশ্চয়ই কিছু রয়েছে। যা তাদের ক্ষতি করতে চায়। তাই তারা আর বিলম্ব না করে এক তান্ত্রিকের কাছে নিয়ে যায়। তিনি যোগের মাধ্যমে জানতে পারেন যে ওই বাড়ির একজন আত্মীয় তার নিজের শক্তি বাড়ানোর জন্য ওই বাড়ির হাসিখুশি আনন্দ কেড়ে নিতে চেয়েছিল। বাড়ির সকলে সেটা জানতে পেরে অত্যন্ত ভেঙ্গে পড়েছিল। কারণ তারা কখনোই ভাবেনি। যে তারা যাকে এত বিশ্বাস করেছিল সেই তাদেরকে এতই কষ্ট দিবে তাদের জীবনের পরিবর্তে নিজের শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করবে তবে কথাতেই আছে, রাখে যখন হরি মারে কে তাই একটা বড় ক্ষতি হওয়ার আগে সকলের সেটা জানতে পেরে গেল এবং যথারীতি সব কাজ করি তারা নিজেদের পরিবারকে আবার সুরক্ষিত করে তুললো।

Address

Khanakul, Hooghly
Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when pyar or Khushi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share