16/03/2025
জুমার নামাজ , , নিয়ে কথা মানুষের মনে ডাঙ্গা লাগা,
এবং হুলি
গত বছর , সবাই হোলি মেখে কতো মেয়ের সাথে কতো জন , নির্যাতন রেপ , অনেক কিছু নিশা করে এই উৎসব করে, মানুষের শিক্ষা থেকে মূর্খ,
যেটা তাদের মাধ্যতা মুলুক না , তাও নেতারা মানুষদের নিয়ে খেলে কিন্তূ মানুষ বুঝে না ,
আগে ছিল , জমিদার গুলো জাতি নিয়ে, মানুষ কে কষ্ট দিতো ওরা ছোটো জাতি ,
এখন হিন্দু মুসলিম,
মানুষ কি সারা জীবন সব জেনে মূর্খ থাকবে , মোবাইল , এসে computer এসে, ইন্টারনেট যুগ সব খবর নিজের হাতের, তাও এতো মূর্খ মানুষ,
তাই একটু হোলি নিয়ে কিছু বই থেকে প্রমাণ ,
হোলি উৎসব সম্পর্কে হিন্দু ধর্মগ্রন্থগুলোর বিভিন্ন অংশে উল্লেখ আছে, তবে কোথাও এটি বাধ্যতামূলকভাবে পালন করতে হবে এমন কোনো নির্দেশনা নেই। কিছু প্রধান ধর্মগ্রন্থে হোলি সম্পর্কিত উল্লেখ নিচে দেওয়া হলো—
১. ভাগবত পুরাণ (শ্রীমদ্ভাগবত মহাপুরাণ)
প্রহ্লাদ ও হোলিকার কাহিনি (স্কন্ধ ৭, অধ্যায় ৮-১০):
ভগবান বিষ্ণুর ভক্ত প্রহ্লাদ তার পিতা দানব রাজা হিরণ্যকশিপুর অত্যাচার সত্ত্বেও বিষ্ণুর ভক্তি বজায় রাখেন। তার পিতা তাকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন এবং এজন্য হোলিকা (যার আগুনে না পোড়ার বর ছিল) প্রহ্লাদকে কোলে নিয়ে আগুনে বসেন। কিন্তু বিষ্ণুর কৃপায় হোলিকা পুড়ে যায়, আর প্রহ্লাদ রক্ষা পান। এই ঘটনা থেকেই হোলিকা দহন উৎসবের প্রচলন হয়।
২. নারদ পুরাণ ও বিষ্ণু পুরাণ
এগুলোতেও হোলিকার দহন এবং প্রহ্লাদের রক্ষার কথা উল্লেখ আছে। এতে বলা হয়, এটি অসত্যের ওপর সত্যের বিজয়ের প্রতীক।
৩. ব্রহ্ম বৈবর্ত পুরাণ
এখানে ভগবান কৃষ্ণ ও গোপীদের রঙ খেলার কথা বলা হয়েছে। কৃষ্ণ, যিনি শ্যামবর্ণ, তিনি তার প্রিয় রাধার গায়ে রং লাগিয়ে দেন, এবং গোপীদের সঙ্গেও রঙ খেলা করেন। এটি পরে হোলি উৎসবের অংশ হয়ে যায়।
৪. ভবিষ্য পুরাণ
এখানে হোলি সম্পর্কে কিছু আচার-অনুষ্ঠান ও রীতি উল্লেখ আছে, যেখানে ফাল্গুন পূর্ণিমার দিনে হোলিকা দহন ও আনন্দ উদযাপনের কথা বলা হয়েছে।
উপসংহার:
হিন্দু ধর্মগ্রন্থগুলোতে হোলির ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক ভিত্তি আছে, তবে কোথাও স্পষ্টভাবে বলা নেই যে "হোলি পালন করা বাধ্যতামূলক"। এটি একটি ঐতিহ্যগত উৎসব, যা বহু বছর ধরে চলে আসছে, কিন্তু ধর্মীয় বিধান হিসেবে এটি পালন করতেই হবে এমন কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা বেদ, গীতা বা অন্যান্য প্রধান ধর্মগ্রন্থে নেই।