ERR Salma Khatun

ERR Salma Khatun দয়া করে কেউ উল্টাপাল্টা পোস্ট বা কমেন্ট করবেন না ��

27/08/2025

তোমার ভালোবাসা আমার জন্য নিশ্বাসের মতো, যেটা ছাড়া আমি এক মুহূর্তও বাঁচতে পারি না। তুমি আমার অস্তিত্ব, আমার জীবন, আমার বেছে থাকার অক্সিজেন!

হাতিশুর গাছের উপকারিতা:(১)দেহে ছত্রাকজনিত সংক্রমণে লাল চাকা চাকা দাগ নিরাময়ে এর পাতার রস ব্যবহার করা হয়।(২)ফোলায়  পাতা ব...
14/03/2025

হাতিশুর গাছের উপকারিতা:

(১)দেহে ছত্রাকজনিত সংক্রমণে লাল চাকা চাকা দাগ নিরাময়ে এর পাতার রস ব্যবহার করা হয়।

(২)ফোলায় পাতা বেঁটে অল্প গরম করে ফোলায় লাগালে, ফোলা কমে যায়।

(৩) জ্বর ও কাশিতে এই গাছের মূল জলের সঙ্গে ফুটিয়ে ক্বাথও তৈরি করে ব্যবহার করা হয়।

(৪) বিষাক্ত পোকার কামড়ে – পাতার রস লাগালে জ্বালা এবং ফোলা কমে যায়।

(৫) আঘাতজনিত ফোলায় – পাতা বেঁটে অল্প গরম করে লাগালে, ফোলা এবং ব্যাথা কমে যায়।

(৬) যাদের সর্দি লাগবে তারা এই হাতিশুড়ের পাতা সেচে দুই চামচ পরিমাণ রস খেতে পারেন এতে করে আপনার সর্দি ভাল হবে।

(৭) টাইফয়েড জ্বরে: টাইফয়েড রোগে এই উদ্ভিদটির পাতা হতে পারে কার্যকরী সমাধান। এর পাতার রস হালকা গরম করে পানিতে মিশিয়ে খেলে টাইফয়েড ভাল হয়।

(৮) একজিমা:একজিমা থেকে মুক্তি পেতে হাতিশুড় গাছের পাতা থেতলে আক্রান্ত স্থানে দিন।এভাবে কিছুদিন ব্যবহারে একজিমা সেরে যাবে।

(৯)রিউম্যাটিক বাতে: রেড়ির তেলের সঙ্গে পাতার রস মিশিয়ে পাক করে গাঁটে লাগাতে হয়।

(১০) দাঁতের মাড়ি ফোলায়:দাঁতের মাড়ি ফোলা রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি হাতিশুরের মূল চিবালে মাড়ি ফোলা কমে যয়l

১১)কাটা ছেঁড়া: কাটা ছেঁড়া স্থানে হাতিশুরের পাতা থেতলে রস দিতে হবে এতে কাটা ছেঁড়া ঘুচে যাবে।

(১২)ব্রন: ব্রন হলে বা এর দাগ হয়ে গেলে হাতিশুঁড় গাছের পাতা ও তার কচি ডাল থেঁতো করে দুপুরে গোসল করতে যাবার ১ঘন্টা আগে ব্রণের ওপর প্রলেপ দিলে ব্রণ সারে এবং নতুন করে আর ব্রণ হয় না।

(১৪)ফ্যারিঞ্জাইটিস রোগে – পাতার রস অল্প গরম জলে মিশিয়ে গার্গল করা।

সেন্ট মার্টিন দ্বীপ হলো বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি ছোট প্রবাল দ্বীপ (মাত্র ৮ বর্গ...
31/01/2025

সেন্ট মার্টিন দ্বীপ হলো বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি ছোট প্রবাল দ্বীপ (মাত্র ৮ বর্গকিলোমিটার)। এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে ও মিয়ানমারের উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। এটি নারিকেল জিঞ্জিরা, নারকেল জিঞ্জিরা, জিঞ্জিরা, জাজিরা, দারুচিনি দ্বীপ বা দেরদিউসা দ্বীপ নামেও পরিচিত। প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরা বলা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের সমুদ্রপ্রেমীদের কাছে এটি ব্যাপক পরিচিত একটি নাম। বিখ্যাত লেখক, কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের দারুচিনি দ্বীপ নামের পূর্ণদৈর্ঘ্য ছায়াছবির মাধ্যমে এই দ্বীপটির পরিচিতি আরো বেড়ে যায়।

"বাংলাদেশের নদ-নদী: সংজ্ঞা ও সংখ্যা'' শীর্ষক গ্রন্থের তথ্যমতে শাখা-প্রশাখাসহ প্রায় ১,০০৮ টি নদ-নদী বিপুল জলরাশি নিয়ে ২...
27/01/2025

"বাংলাদেশের নদ-নদী: সংজ্ঞা ও সংখ্যা'' শীর্ষক গ্রন্থের তথ্যমতে শাখা-প্রশাখাসহ প্রায় ১,০০৮ টি নদ-নদী বিপুল জলরাশি নিয়ে ২২,১৫৫ কিলোমিটার জায়গা দখল করে দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এর তথ্য মতে ২০১৩ সালে বাংলাদেশের নদ-নদীর সংখ্যা ছিল ৩১০টি । বর্তমানে বাংলাদেশের নদীর সংখ্যা প্রায় ১,০০৮ টি ।

পশ্চিম থেকে পূর্বের নিম্ন গঙ্গা অসংখ্য শাখা নদীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে : ভাগীরথী, হুগলি, মাথাভাঙ্গা, ইছামতী, ভৈরব, কুমার, কপোতাক্ষ, নবগঙ্গা, চিত্রা,মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ ইত্যাদি। ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা: তিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়েছে। আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলা এটি প্রবেশ করেছে।

প্রধান চারটি নদীর প্রাচীন নাম ;

পদ্মা - কীর্তিনাশা (প্রাচিন নাম -নলিনী)।
যমুনা - জোনাই নদী।
ব্রহ্মপুত্র - লোহিত্য।
বুড়িগঙ্গা - দোলাই নদী (দোলাই খাল)

প্রতিদিন এক গ্লাস গাজরের জুস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আশ্চর্যজনক ভাবে বৃদ্ধি করে। শরীরে ক্ষতিকর জীবাণু, ভাইরাস এবং বিভ...
27/01/2025

প্রতিদিন এক গ্লাস গাজরের জুস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আশ্চর্যজনক ভাবে বৃদ্ধি করে। শরীরে ক্ষতিকর জীবাণু, ভাইরাস এবং বিভিন্ন ধরনের প্রদাহের বিরুদ্ধে কাজ করে। গাজরের জুসে ভিটামিন ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের খনিজ, পটাশিয়াম, ফসফরাস ইত্যাদি থাকে যা হাড় গঠন, নার্ভাস সিস্টেমকে শক্ত করা ও মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন কে১, পটাশিয়াম, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ নানা ধরনের পুষ্টি উপাদান মেলে গাজরে। সুস্থ থাকতে চাইলে গাজরের সালাদ, জুস কিংবা হালুয়া খেতে পারেন নিয়মিত। জেনে নিন গাজর খেলে কী কী উপকার পাবেন।

১। ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়
ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ গাজর বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার যেমন প্রোস্টেট, কোলন এবং পাকস্থলীর ক্যানসার থেকে রক্ষা করতে পারে।

২। রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে
রক্তে থাকা বাড়তি কোলেস্টেরল হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। নিয়মিত গাজর খেলে কমবে কোলেস্টেরলের মাত্রা।

৩। ওজন কমাতে সাহায্য করে
কম ক্যালোরিযুক্ত খাবার হিসেবে গাজর অতুলনীয়। এতে থাকা ফাইবার অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখতে সাহায্য করে। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।

৪। হজমশক্তি বাড়ায়
গাজরে থাকা ফাইবারে অন্ত্রের জন্য ভালো। এটি হজমে সহায়তা করে। গাজর দিয়ে স্যুপ বা সালাদ বানিয়ে খান।

৫। ত্বককে সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখে
গাজরে থাকা ভিটামিন এ, ভিটামিন ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে বলিরেখার বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং পিগমেন্টেশনকে দূরে রাখে। ফলে ত্বক থাকে উজ্জ্বল ও টানটান।

৬। দৃষ্টিশক্তি শক্তিশালী রাখে
গাজরে উচ্চমাত্রার ভিটামিন এ রয়েছে যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখার জন্য অপরিহার্য। নিয়মিত গাজর খেলে তাই ভালো থাকবে চোখ।

৭। হৃদযন্ত্র ভালো রাখে
গাজর পটাসিয়ামের একটি বড় উৎস, যা হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। গাজরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং প্রদাহ প্রতিরোধ করে হার্ট-সম্পর্কিত অসুস্থতার ঝুঁকি কমাতেও কার্যকর।

৮। হাড় সুস্থ রাখে
গাজরে পাওয়া যায় ক্যালসিয়াম। উপকারী এই খনিজ আমাদের হাড় ও দাঁত ভালো রাখতে সাহায্য করে।

আমার সাথে দেখা করতে আসবে কবে? যখনই আসো এক গুচ্ছ রজনীগন্ধা নিয়ে এসো, তাহলে আমাদের কাটানো সময়টা এক সুন্দর সুবাসে ভরে থাক...
02/11/2024

আমার সাথে দেখা করতে আসবে কবে? যখনই আসো এক গুচ্ছ রজনীগন্ধা নিয়ে এসো, তাহলে আমাদের কাটানো সময়টা এক সুন্দর সুবাসে ভরে থাকবে।

ধবধবে সাদা রজনীগন্ধা গুটি কয়েক কুঁড়িতে যে সৌন্দর্য ধারণ করে, তা যেন প্রকৃতির এক অন্যরকম শিল্প প্রকাশ করে।

I saw that you were perfect, and so I loved you. Then I saw that you were not perfect and I loved you even more.
31/10/2024

I saw that you were perfect, and so I loved you. Then I saw that you were not perfect and I loved you even more.

Address

Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ERR Salma Khatun posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share