13/08/2026
চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা নির্ধারণসহ চার দফা দাবিতে চলমান আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে ১৩৫ জন নাগরিকের সংহতি জানিয়ে বিবৃতি প্রদান
গত প্রায় এক মাস ধরে বাংলাদেশের চা শ্রমিকরা চার দফা দাবিতে আন্দোলন করছেন। তাঁদের দাবিগুলো হলো, ২০২৩ সালে ন্যূনতম মজুরি বোর্ড কর্তৃক প্রণীত ‘গেজেট-২০২৩’ বাতিল, ৫০০ টাকা দৈনিক মজুরি নির্ধারণ, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন (বি-৭৭) এর নির্বাচন এবং ভূমি অধিকার নিশ্চত করা। দীর্ঘদিন ধরেই চা শ্রমিকরা মজুরিবৃদ্ধি, গেজেট বাতিল, শিক্ষা-চিকিৎসা, ভূমি অধিকারসহ নানা দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন। বর্তমানে একজন চা শ্রমিকের দৈনিক মজুরি মাত্র ১৮৭ টাকা। আজকের দিনে এই মজুরি দিয়ে কোন ভাবেই একটি পরিবার দু’বেলা দু’মুঠো খেয়ে চলতে পারে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের মতে, দৈনিক ১০ঘন্টা কাজ করলে একজন পুরুষ শ্রমিকের ৩৪৬৪ কিলো-ক্যালরি এবং নারী শ্রমিকের ২৪০৬ কিলো-ক্যালরি ক্ষয় হয়। সে হিসাব অনুযায়ী ৫ সদস্যের একটি চা শ্রমিক পরিবারের শুধু খাদ্য চাহিদা পূরণ করতেই দৈনিক কমপক্ষে সাড়ে ৭’শ টাকারও বেশি প্রয়োজন। এর বাইরে শিক্ষা, চিকিৎসা, বিনোদন, বস্ত্র, বাসস্থানসহ মৌলিক বিষয়গুলো তো আছে।
আমরা এটাও জেনেছি যে, পাশের দেশ শ্রীলঙ্কায় চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি প্রায় সাড়ে ৫শ টাকা, আফ্রিকার দেশ কেনিয়ায় ৪৮৩টাকা প্রায় (বণিক বার্তা-১লা মে,২০২৫)।
সম্প্রতি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে চা শ্রমিকদের মজুরি ৫’শ টাকা করার একটি বিল নিয়ে আলোচনা হয়। বিলটি নিয়ে শ্রমমন্ত্রী সংসদে বলেন, ত্রি-পক্ষীয় বৈঠকে মজুরি নিয়ে আলোচনা করা হবে। শ্রমমন্ত্রীর এ প্রস্তাবনার পর সংসদে বিলটি বাতিল ও প্রত্যাহার করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে এক স্বাক্ষাৎকারে মালিকদের সুরে শ্রমমন্ত্রী জানান, “চা শ্রমিকদের মজুরি দুই ধরণের। সাপ্তাহিক ভাবে একটা পায়, আর একটা হচ্ছে, জায়গা পায়, রেশন পায়, ঔষধ পায়, পরিবারের এক সদস্য যদি কাজ থেকে সরে যান বা অসুস্থ হন, তবে পরিবারে অন্য সদস্য কাজ পান।” চা শ্রমিকরা মনে করেন, শ্রমমন্ত্রীর এই বক্তব্য বাস্তবের সাথে অসংগতিপূর্ণ। শুধু তাই নয়, চা শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে কথা আসলেই মালিকপক্ষ বলতে থাকেন চা শ্রমিকরা নাকি যথেষ্ট সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন। মাঝে মাঝে মালিক পক্ষ থেকে দাবি করা হয় চা শ্রমিকদের মজুরি নাকি ৪শ থেকে সাড়ে ৫'শ টাকা। ২০২২ সালে চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনের সময় বাংলাদেশীয় চা সংসদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, মজুরি হিসেবে নগদ অর্থ ছাড়াও একজন শ্রমিককে দৈনিক ঘর ভাড়া বাবদ ৭৬ টাকা ৯২ পয়সা, চিকিৎসা বাবদ সাড়ে ৭ টাকা, ভূমি উন্নয়ন কর বাবদ শূন্য দশমিক ০২ টাকা, বাসাবাড়িতে উৎপাদিত ফলমূল বাবদ ১৪ টাকা, অবসরভাতা ২ টাকা, গরু চরানো বাবদ ১ টাকা, চা-শ্রমিক পোষ্যদের শিক্ষা ব্যয় বাবদ দেড় টাকা দেওয়া হয়।
শ্রম আইনে স্পষ্ট বলা আছে, বাসস্থান, আলো, পানি, চিকিৎসা সুবিধা, অবসর ভাতা বা ভবিষ্যৎ তহবিলে মালিক কর্তৃক দেওয়া টাকা মজুরির অন্তর্ভুক্ত হবে না। এ কারণে মালিকেরা উপরিউক্ত খাতগুলোতে যে টাকা মজুরি বাবদ প্রদান করছেন বলে দাবি করেন, এর কোনো আইনি ভিত্তি নেই। আবার শ্রম আইনে ৯৬ নং ধারায় স্পষ্ট নির্দেশ আছে, নির্দিষ্ট অবস্থানগত কারণে চা শ্রমিকদের গৃহায়নের সুবিধা নিশ্চিত করবেন মালিকেরা। তাই ঘর বাবদ কোন বরাদ্দ দিলেও এটি মজুরির আওতাধীন নয়। এমনকি শ্রমিকের বসত ভিটায় লাগানো পেয়ারা বা পেঁপে জাতীয় ফসলকেও মজুরি হিসেবে চিহ্নিত করেন মালিকরা- এ প্রহসন ছাড়া আর কি হতে পারে?
২০২২ সালে দীর্ঘ ১৯ দিন আন্দোলন করে ৫০ টাকা মজুরি বৃদ্ধি করেন। যা সম্ভবত আওয়ামী লীগের শাসনামলে সর্ববৃহৎ শ্রমিক আন্দোলন। এ আন্দোলনের পর চা শ্রমিক প্রতিনিধিদের সম্মতি ছাড়া সরকার এবং মালিক পক্ষ মিলে চা শ্রমিকদের মজুরি সক্রান্ত একটি গেজেট প্রকাশ করে। এই গেজেটে চা শ্রমিকদের মূল মজুরি ১৭০ টাকা ধরা হয়েছে এবং প্রতি বছর ৫শতাংশ হারে মজুরি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। গত ২ বছরে ৫ শতাংশ হারে মজুরি বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ১৮৭ টাকা হয়েছে প্রায়। গেজেট অনুযায়ী গত ১০ আগস্ট ২০২৬ চা শ্রমিকদের মজুরি ৫% বেড়ে ১৯৬.৮০ টাকা হয়েছে । শুধু তাই নয়, এই গেজেটে কমানো হয়েছে বোনাসসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা, তেমনি এ গেজেটের মেয়াদকালীন সময়ে মজুরি বাড়ানোর বিষয়ে চা শ্রমিক প্রতিনিধিদের আলাপের সকল আইনি সুযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বিগত সরকারের পতন হয়েছে, কিন্তু তাদের করা অগণতান্ত্রিক ও চা শ্রমিক স্বার্থবিরোধী ‘গেজট-২৩’ বাতিল হয়নি। আমরা অবিলম্বে এই গেজেট বাতিল চাই। বর্তমান সরকার চা শ্রমিকদের মজুরি নিয়ে বহু কথা বললেও এই গেজেট বাতিলের উদ্যোগ নিচ্ছে না। পুরাতন গেজেট বহাল রেখে মজুরি বৃদ্ধি অসম্ভব।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন (বি-৭৭) বা বাচাশ্রই হলো চা শ্রমিকদের একক এবং বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ শ্রমিক ইউনিয়ন। নিয়ম অনুযায়ী ৩ বছর পরপর বাচাশ্রই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও সে নির্বাচন প্রায় ৮ বছর ধরে বন্ধ আছে। চা শ্রমিকরা একটি অবাধ, গ্রহণযোগ্য এবং হস্তক্ষেপ মুক্ত নির্বাচনের দাবি করছেন। এর সাথে সাথে চা শ্রমিকরা শত বছর ধরে বাস করা পূর্ব পুরুষের ভিটার আইনসঙ্গত অধিকার বা ভূমির অধিকার চান।
আমরা ৪ দফা দাবিতে চলমান চা শ্রমিক আন্দোলনকে পূর্ণ সমর্থন জ্ঞাপন করছি এবং একই সাথে সরকারকে চা শ্রমিকদের এই ন্যায়সঙ্গত দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি। চা শ্রমিকরা নিন্মলিখিত চার দফা দাবি জানিয়েছেন -
১.২০২৩ সালে ন্যূনতম মজুরি বোর্ড কর্তৃক প্রণীত ‘গেজেট-২০২৩’ বাতিল কর।
২. ৫০০ টাকা দৈনিক মজুরি নির্ধারণ কর।
৩. বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন (বি-৭৭) এর নির্বাচন করতে হবে।
৪. চা শ্রমিকদের ভূমি অধিকার নিশ্চত কর।
বার্তা প্রেরক —
রাফিকুজ্জামান ফরিদ
সাধারণ সম্পাদক, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট
মোবাইল : ০১৮৩০৫৮৮০৬৫
বিবৃতির পক্ষে —
১. অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, সদস্য, গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি
২. অধ্যাপক সলিমুল্লাহ্ খান
৩. অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশীদ, সদস্য, গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি
৪. সামিনা লুৎফা, শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৫. মোশাহিদা সুলতানা, শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৬. মানজুর আল মতিন, আইনজীবী
৭. তাসনীম সিরাজ মাহবুব, শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৮. রুশাদ ফরিদী, শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৯. ফাহমিদুল হক, সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক
১০. অধ্যাপক কাজী ফরিদ, শিক্ষক, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
১১. অধ্যাপক কামাল চৌধুরী, শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১২. আর এ এম হাসান তালুকদার, প্রভাষক, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
১৩. সৌম্য সরকার, শিক্ষক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
১৪. শর্মি বড়ুয়া, শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৫. মারিয়া ভূঁইয়া, সহকারী অধ্যাপক, কুয়েট
১৬. তানিয়াহ মাহমুদা তিন্নি, শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক কর্মী
১৭. লাবনী আশরাফি, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও শিক্ষক, ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ
১৮. সৌমিত জয়দ্বীপ, সহকারী অধ্যাপক, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
১৯. লায়েকা বশীর, শিক্ষক ও শিল্পী
২০. সামজীর আহমেদ, প্রভাষক, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়
২১. মাইদুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
২২. অলিউর সান, শিক্ষক ও সংগঠক
২৩. আরাফাত রহমান, সহকারী অধ্যাপক, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
২৪. তাহমিনা খানম, শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২৫. শেখ নাহিদ নিয়াজী, শিক্ষক, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ
২৬. মাহবুবুল হক ভূঁইয়া, সহকারী অধ্যাপক, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
২৭. মামুন আল রাশীদ, সহযোগী অধ্যাপক, ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স
২৮. প্রাপ্তি তাপসী, প্রভাষক, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়
২৯. অধ্যাপক খাদিজা মিতু, শিক্ষক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
৩০. মিজানুর রহমান খান, সহকারী অধ্যাপক, উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়
৩১. শ্যামা ভট্টাচার্য, শিক্ষক, উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়
৩২. তীব্র আলী, অধ্যাপক, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি
৩৩. অধ্যাপক আহমাদ মোস্তফা কামাল, কথাসাহিত্যিক এবং শিক্ষক, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ
৩৪. আসিফ শাহান, শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৩৫. কাজলী সেহরীন ইসলাম, শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৩৬. হানিয়্যুম মারিয়া খান, জৈষ্ঠ প্রভাষক, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
৩৭. আনমনা প্রিয়দর্শিনী, লেকচারার, সাউথার্ন মেথডিস্ট বিশ্ববিদ্যালয়, ডালাস, টেক্সাস
৩৮. Shazed ul hoq abir, writer and academic Senior lecturer, Department of English, East West University
৩৯. দীপা সেন, সদস্য, গনতান্ত্রিক অধিকার কমিটি
৪০. ডাঃ মজিবুল হক আরজু, আহবায়ক, হেলথ্ সার্ভিস ফোরাম
৪১. আকরাম খান, চলচ্চিত্রকার
৪২. ডা. নাজমুস সাকিব, সদস্য, গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি
৪৩. সুজিত চৌধুরী, সদস্য, গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি
গাজী আলাউদ্দিন, সদস্য, গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি
৪৪. ডা. জয়দীপ ভট্টাচার্য, সংগঠক, হেলথ সার্ভিস ফোরাম
৪৫. মাহতাব উদ্দীন আহমেদ, গবেষক, লেখক
৪৬. ইমেল হক, চলচ্চিত্রকার ও এক্টিভিস্ট
৪৭. গোলাম রাব্বানী, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সাংবাদিক
৪৮. পাভেল পার্থ, লেখক ও গবেষক
৪৯. শাহীনূর আক্তার শাহীন, চলচ্চিত্রকর্মী
৫০. ব্রাত্য আমিন, প্রাকৃত সমাজকর্মী
৫১. মাসুদ রানা, সমন্বয়ক, বাসদ (মার্কসবাদী)
৫২. রজত হুদা, ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়ক, জাতীয় গণফ্রন্ট
৫৩. মহিনউদ্দিন চৌধুরী লিটন, সদস্য, বাসদ, কেন্দ্রীয় কমিটি
৫৪. অমল ত্রিপুরা৷ সদস্য, ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক (ইউপিডিএফ)
৫৫. সাইফুল ইসলাম সমীর, সভাপতি, সিপিবি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ
৫৬. অলিক মৃ, কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য ,এনপিএ
৫৭. আহসান হাবীব লাবলু, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, সিপিবি
৫৮. মানস নন্দী, সভাপতি, বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন
৫৯. শামীম ইমাম, সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কমিটি, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন বাংলাদেশ
৬০. সুশান্ত সিনহা সুমন, সদস্য সচিব, গণতান্ত্রিক শ্রমিক আন্দোলন, কেন্দ্রীয় কমিটি
৬১. আমেনা আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক, গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম
৬২. রোমান নিকোলাস তালুকদার, কেন্দ্রীয় সদস্য, গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলন
৬৩. শহীদুল ইসলাম সবুজ, সাধারণ সম্পাদক, গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম
৬৪. শাহীন আলম, সদস্য গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র
৬৫. রিজ ওয়ানুর রহমান খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটি, বিএফটিইউসি।
৬৬. হেমন্ত দাষ, সম্পাদক, বাংলাদেশ জয় ভীম ছাত্র যুব ফেডারেশন
৬৭. রফিকুল ইসলাম সবুজ, সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএআরএফ)
৬৮. ডা. শাকিল আখতার, কনসালটেন্ট অর্থোপেডিক সার্জন, হেলথ এন্ড হোপ হসপিটাল
৬৯. সীমা দত্ত, সভাপতি, বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র
৭০. এ্যাডভোকেট নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্র
৭১. মারজিয়া প্রভা, একটিভিস্ট ও সদস্য, রেড ফেমিনিস্ট ব্লক
৭২. সজীব তানভীর, স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতা; সদস্য, গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি
৭৩. কামাল হোসেন বাদল, আহবায়ক, সমাজ চিন্তা ফোরাম
৭৪. জামসেদ আনোয়ার তপন, সাধারণ সম্পাদক, উদীচী
৭৫. সায়ান, শিল্পী
৭৬. বিথী ঘোষ, সাংস্কৃতিক কর্মী
৭৭. সুষ্মিতা রায় সুপ্তি, সাংস্কৃতিক কর্মী
৭৮. ওয়ারদা আশরাফ, সংস্কৃতি ও উন্নয়ন কর্মী
৭৯. শহিদ ইসলাম - সঙ্গীত শিল্পী
৮০. সায়দিয়া গুলরুখ, সাংবাদিক
৮১. রাফিয়া তামান্না, Journalist
৮২. রেহানা সামদানি, social worker and film maker
৮৩. উৎপল বিশ্বাস, আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
৮৪. বাপ্পী ইমাম, আইনজীবী, ঢাকা বার এসোসিয়েশন
৮৫. নিরূপা দেওয়ান , অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক , রাঙ্গামাটি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় , সাবেক সদস্য , জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন
৮৬. কাজী মোহাম্মদ উল্লাহ, গবেষক, আরবান ডিজাইন সায়েন্স ফর হেলথ ল্যাব, জাপান এডভান্সড ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি
৮৭. রাকিবুল রনি, গবেষক, আরবান ডিজাইন সায়েন্স ফর হেলথ ল্যাব, জাপান এডভান্সড ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি।
৮৮. নিরূপা দেওয়ান , অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক , রাঙ্গামাটি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় , সাবেক সদস্য জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন
৮৯. সত্যজিৎ বিশ্বাস, সদস্য, কেন্দ্রীয় সেল, শ্রেণিসংগ্রামের পথ
৯০. অজিত দাস, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর ও কৃষক সংগঠন
৯১. রাশেদ শাহরিয়ার, আহ্বায়ক, বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট
৯২. রবিউল করিম নান্টু, আহ্বায়ক (ঢাকা নগর), বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট
৯৩. সালমান সিদ্দিকী, সভাপতি, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট
৯৪. তামজীদ হায়দার, সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন
৯৫. ফাহিম আহমদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল
৯৬. জাবির আহমেদ জুবেল, সাধারণ সম্পাদক, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী
৯৭. সমর চাকমা, সভাপতি, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ
৯৮. ইসাবা শুহরাত, গবেষক, দৃক
৯৯. আফজাল হোসেন, এক্টিভিস্ট
১০০. রওশন আরা, সদস্য নারীপক্ষ
১০১. অনুপম সৈকত শান্ত, লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট
১০২. শামীম আরা নীপা, এক্টিভিস্ট
১০৩. চৌধুরী মুফাদ আহমদ, লেখক
১০৪. সহুল আহমদ, লেখক ও গবেষক
১০৫. নাফিসা রায়হানা, গণিতবিদ ও অ্যাক্টিভিস্ট
১০৬. মোস্তাক আহমদ, সাংবাদিক
১০৭. এস এম আরিফুল হক, বেসরকারি চাকুরিজীবী
১০৮. শিরীন পারভিন হক, নারী আন্দোলন কর্মী ও সদস্য নারী পক্ষ
১০৯. কামরুন নাহার, নারী অধিকার কর্মী
১১০. মোজাম্মেল হক, আহ্বায়ক, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা
১১১. আসমা আক্তার, সভাপতি, গৃহকর্মী অধিকার রক্ষা কমিটি
১১২. খুরশীদ আহমাদ ফরহাদ, সাবেক ছাত্র সংগঠক
১১৩. রানা সুলতানা
১১৪. রাশেদ খান, সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, যশোর জেলা সংসদ
১১৫. আসিফ জামান, ছাত্র, ইউনিভার্সিটি ওফ লিবারাল আর্টস, বাংলাদেশ
১১৬. সুলতানা আক্তার লুবনা, সাবেক শিক্ষার্থী, শাবিপ্রবি
১১৭. কামরুজ্জামান রিপন, উন্নয়ন কর্মী
১১৮. রীতা দাশ রায় , সদস্য, নারীপক্ষ
১১৯. ফেরদৌসি রিতা, সাধারণ কর্মী
১২০. মাহীন সুলতান, গবেষক, BIGD
১২১. রাইয়ান রাজী, একাডেমিক ও মিডিয়াকর্মী
১২২. গীতা দাস, আন্দোলন সম্পাদক, নারীপক্ষ
১২৩. রনি বম
১২৪. রীনা রায়
১২৫. নীলুফার ইয়াসমিন, Member , Naripokkho, Dhaka
১২৬. জিহাদ আল মেহেদী, ডেপুটি ম্যানেজার (মিডিয়া অ্যান্ড এনগেজমেন্ট), বিআইজিডি, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
১২৭. নাসির উদ্দিন প্রিন্স, সম্পাদক, Public Voice
১২৮. নীতিশ নাথ, সদস্য:- শহীদ রুমী সংঘ (স্কোয়াড)
১২৯. মালা রানি, সংগঠক, মিডফোর্ট হরিজন কলোনি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি
১৩০. ইন্তিমুম এহসান, Senior Research Associate, BIGD, BRAC University
১৩১. ফারহান শাহরিয়ার
১৩২. সামান্থা আরিশা, student of mastermind english medium school
১৩৩. রাহাতুল্লাহ জাহিদ , President, GTUC Chattogram DC
১৩৪. কবিতা চৌধুরী, Programme Coordinator, BIGD, BRAC University.
১৩৫. অধ্যাপক সৈয়দ নিজার আলম
শিক্ষক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়