বৃহত্তর চরাঞ্চল

Directions

বৃহত্তর চরাঞ্চল Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বৃহত্তর চরাঞ্চল, Newsstand, Road no-04,Konda,South Keraniganj, Dhaka.

বৃহত্তর চরাঞ্চল বলতে আমরা বোঝাচ্ছি, ঢাকার খুব কাছে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ অধীনস্থ ৫টি গ্রামকে। বাক্তার চর, কোন্ডার চর, আলুকান্দা, ঘোষকান্দা, নতুন বাক্তার চর।

এখানকার ইতিহাস, কৃষ্টি কালচার, জীবনযাত্রা ইত্যাদি।

আলহামদুলিল্লাহ 🤲আমাদের বৃহত্তর চরাঞ্চলের গর্ব,অধ্যাপক হামিদুর রহমান স্কুল এন্ড কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী আয়েশা সিদ্দিকীB....
03/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ 🤲
আমাদের বৃহত্তর চরাঞ্চলের গর্ব,
অধ্যাপক হামিদুর রহমান স্কুল এন্ড কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী আয়েশা সিদ্দিকী
B.Sc in Physiotherapy কোর্সে
NITOR (National Institute of Traumatology & Orthopaedic Rehabilitation), Sher-e-Bangla Nagar, Dhaka-তে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।

তার এই অসাধারণ সাফল্যে আমরা গর্বিত।
সবাই আয়েশার জন্য দোয়া করবেন, যেন সে ভবিষ্যতে আরও বড় সফলতা অর্জন করতে পারে। 🌸✨

কেরানীগঞ্জের নামকরণ কিভাবে হয়? কেরাণীগঞ্জে নামের পেছনে কোন প্রকার ইতিহাস ভিত্তিক সমর্থন পাওয়া যায় না। তথাপি বাংলার করর...
24/03/2026

কেরানীগঞ্জের নামকরণ কিভাবে হয়?

কেরাণীগঞ্জে নামের পেছনে কোন প্রকার ইতিহাস ভিত্তিক সমর্থন পাওয়া যায় না। তথাপি বাংলার কররান বংশের রাজত্বকালের ইতিহাস থেকে কেরাণীগঞ্জ নামকরণের কিছুটা যৌক্তিক সমর্থন হলেও পাওয়া যায়। কররাণীরা আফগান বা পাঠান জাতির একটি উন্নত শাখা। শেরশাহ ও তাঁর ছেলে ইসলাম শাহ আফগানিসত্মানের কিরাণ এলাকা থেকে এসে একটি পৃথক বংশের সূচনা করেন। তাঁজ খান কররাণীই সর্বপ্রথম এই বংশকে বাংলার ইতিহাসে সুপরিচিতি করেন। তাঁজ খানের মৃত্যুর পর তাঁর ভাই সুলেমান কররাণী বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন (১৫৬৫-১৫৭২ খ্রিঃ)। তাঁর মৃত্যূর পর বায়াজীদ কররাণী এবং তাকে হত্যা করে দাউদ খান কররাণী (১৫৭২ খ্রিঃ) বাংলার কররাণী শাসক গোষ্ঠীর শেষ স্বাধীন বাদশাহ হিসেবে রাজত্ব করেন। মুনীম খান তাঁর অভিযান পরিচালনায় বর্তমান দিনাজপুর ও দক্ষিনে বাকেরগঞ্জ হয়ে ঢাকার সোনারগাঁওয়ে প্রবেশ করেন। সর্বত্রই আফগানেরা মুঘল বাহিনীর গতিরোধে ব্যর্থ হয়ে বুড়িগঙ্গা পার হয়ে নদীর তীরে পশ্চাদপসরণ করে। কররাণীদের এ স্থানে কিছুকাল অবস্থানই সম্ভবতঃ কেরাণীগঞ্জগঞ্জ নামের ঐতিহাসকি প্রেক্ষাপট। কথাটি হওয়া উচিত ছিল কররাণীগঞ্জ। মোঘল রাজত্বকালে কেরাণীগঞ্জের পরিচয় ছিল প্রথমে আল জাজিরা(দ্বীপাঞ্চল) এবং কোম্পানী আমলে তা হয় কেরাণীগঞ্জ। কথিত আছে যে, মোগল আমলে ঢাকার তৃতীয় গভর্ণর ইব্রাহীম খাঁনের দুজন কর্মচারী বুড়িগঙ্গার দক্ষিণ পাড়ে বসবাস করতেন। সে থেকে এ এলাকার নাম কেরাণীগঞ্জ নামকরণ করা হয়। কিন্তু কেরাণীগঞ্জ নামে কোন গ্রামের অসিত্মত্ব কেরাণীগঞ্জে নেই। বর্তমান কেরাণীগঞ্জ দ্বীপাকার বলে মোঘল আমলের এক পর্যায়ে এই স্থানের নাম হয় পারজোয়ার। উত্তর ও পূর্ব সীমা বুড়িগঙ্গা, পশ্চিম- দক্ষিণ সীমা ধলেশ্বরী (মোঘল আমলে এই নদীর নাম ছিল ঢল সওয়ার)। ‘জোয়ার’ শব্দের অর্থ অঞ্চল এবং ‘পার‘ শব্দের অর্থ তট। এই জন্যই এই এলাকার নাম পারজোয়ার যা আজও আংশিক এলাকার নাম বা পরিচয় হিসেবে চালু রয়েছে। পারজোয়ার মৃত্তিকায় বালির অংশই বেশী পরিলক্ষিত হয় । এই স্থানের পুকুরগুলো খননের কিছু কালেই ভরাট হতে থাকে। এতে একটি ব্যাপার স্পষ্ট হয়ে ধরা পডে .যে পার-জোয়ার বা কেরাণীগঞ্জ ধলেশ্বরী ও বুড়িগঙ্গার চর হতে উদ্ভূত হয়েছে। পারজোয়ারকে ঢাকা শহরের প্রবেশ দ্বার বলা চলে।

কেরানীগঞ্জে রয়েছে মোট ১২টি ইউনিয়ন/ওয়ার্ড, ১২৩টি মৌজা/মহল্লা, এবং ৩৯৯টি গ্রাম।

#কেরানীগঞ্জ #ঢাকা
#বুড়িগঙ্গা #বাংলারইতিহাস
#ঢাকারইতিহাস #গ্রামেরইতিহাস


আমাদের কোন্ডার ইতিহাস জানতে হলে আগে জানতে হবে এ অঞ্চলে প্রবাহিত নদীর ইতিহাস। কারণ নদীর কোল ঘেঁষেই গড়ে উঠেছে এ অঞ্চলের সভ...
23/03/2026

আমাদের কোন্ডার ইতিহাস জানতে হলে আগে জানতে হবে এ অঞ্চলে প্রবাহিত নদীর ইতিহাস। কারণ নদীর কোল ঘেঁষেই গড়ে উঠেছে এ অঞ্চলের সভ্যতা।

কেরানীগঞ্জের ইতিহাসের সাথে জরিয়ে আছে দুটি নদী একটি বুড়িগঙ্গা আরেকটি ধলেশ্বরী নদী। ধলেশ্বরী নদীই মুলত বেষ্টিত করে রেখেছে পুরো কেরানীগঞ্জ কে।

ধলেশ্বরী নদী থেকে শাখা বের হয়ে আরেকটি নদী কেরানীগঞ্জের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কেরানীগঞ্জের জাজিরায় আবারও ধলেশ্বরীতে গিয়ে মিলিত হয়েছে। গ্রামের ভেতর দিয়ে আঁকাবাঁকা চলত সেই নদী। সেই নদীর নামটি হল সিংহ নদী। উল্লেখ সেই সিংহ নদীই আমাদের চরাঞ্চলে সিং ধরিয়ার নদী নামে ঐ সময়ে পরিচিত ছিল। এখনো বয়স্ক মুরুব্বিদের কাছে অনেকে শুনে থাকবেন।

এক সময় লোকজন এ নদী দিয়ে বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরী নদীতে যাতায়াত করত। তাছাড়া ব্যবসায়ীরা বিক্রমপুর, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, যশোর, কুষ্টিয়া, বরিশাল, খুলনার সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও এ নদীটি ব্যবহার করত। একসময় এ খরস্রোতা সিংহ নদী দিয়ে শত শত মণের ধান-পাট বোঝাই নৌকা পাল তুলে যাতায়াত করত। সিংহের মতো এ নদীর স্রোতের আওয়াজ ছিল। এ জন্য লোকেরা সিংহ নদী বলে আখ্যায়িত করেছে।

কেরানীগঞ্জের বুক চিরে বয়ে চলা সিংহ নদীকে ঘিরেই চলতো এলাকার মানুষের জীবন-জীবিকা। মাছ ধরা থেকে শুরু করে জমিতে সেচ ও দৈনন্দিন কাজে ব্যবহৃত এ নদীর পানি। কিন্তু এসব এখন ইতিহাস।

সেই সিংহ নদীর শাখা-উপশাখা প্রবাহিত হত আমাদের কোন্ডার উপর দিয়ে। সিংহ নদীর একটি শাখা চলে গিয়েছে মোল্লা বাজারের পাশ দিয়ে পাইনারচর হয়ে চান্দের চরের দিকে। আরেকটি শাখার উপশাখা হয়ে আমাদের কোন্ডার ছোট ছোট গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে চলত।

এই নদীটা এই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে মিশে ছিল।

সিংহ নদীর কিছু উপশাখার বর্তমান অবস্থান নিম্নরূপ।

১। মোল্লা বাজার হতে একটি উপশাখা নতুন বাক্তার চরের ভিতর দিয়ে গুচ্ছ গ্রাম পর্যন্ত (নতুন বাক্তার চর স্কুল এন্ড কলেজের সামনের যায়গা) বয়ে চলত।

২। মোল্লা বাজার হতে আরেকটি উপশাখা বাক্তার চর বড় পুসকুনি হয়ে ঈদগা মাঠে। এবং বাক্তার চর উকিল বাড়ি পুসকুনিতে গিয়ে পৌঁছাত।

৩। মোল্লা বাজার হতে গেদার বারির জোল (আঞ্চলিক নাম) দিয়ে গোগের পাড় পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।

৪। আরেকটি ঢোকেছে জাজিরার বর্তমান ব্রিক ফিল্ডের মধ্য দিয়ে জাজিরা-বিবির বাজার ব্রিজের নিচ দিয়ে বিবির বাজারের খাল হয়ে কোন্ডার চরের পাশ দিয়ে নয়ামাটির পিছন দিয়ে গয়েশ্বর বাড়ির ব্রিজে দিকে...

জনশ্রুতি আছে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ঢাকা থেকে অনেক পরিবার তখন নৌকা করে এই সিংহ নদীর পথেই পালিয়েছিল। এই নদীর কারনেই স্টিমার নিয়ে পাকিস্তানি বাহিনী আমাদের গ্রামগুলতে ঢোকতে পারেনি। মূল নদী দিয়ে মুন্সিগঞ্জের দিকে যেত তারা।

আমাদের এলাকার অনেকেই তখন এই নদিতে খেয়া চালাত, ইটের নৌকায় কাজ করত, মাছ ধরত ইত্যাদি।
অনেকের কাছে শুনে থাকবেন বর্ষার মৌসুমে এই নদী দিয়েই নৌকায় করে এলাকার অনেক মৌসুমি ব্যবসায়ীরাও পাড়াগ্রাম (পাড়াগাঁও) হাঁট থেকে গবাদি পশু, ফুলমুল, আনাজপাতি নিয়ে আসত। শনি ও বুধবার হাট বসত। হাটুরেরাও নৌকাতেই যাতায়াত করত।

দুইশ-তিনশ মণ ধান নিয়ে নৌকাগুলো সিংহ নদী হয়ে সোয়ারীঘাট যেত। বর্ষায় স্রোতের এমন টান থাকত যে দুই মাল্লা, এক মাঝি মিলেও নৌকা তীরে ভেড়াতে পারত না।

পরের দিকে শুকনো মৌসুমে নৌকা চলত না। তখন এখানকার লোকজন হেঁটে জিনজিরা যেত। তারপরে বুড়িগঙ্গা পার হয়ে ঢাকা।

সিংহ নদী শুধু একটি নদী ছিল না—
এটি ছিল এই অঞ্চলের মানুষের জীবন, ইতিহাস ও অর্থনীতির প্রাণ।
নদী হারিয়ে গেছে, কিন্তু তার গল্প এখনো বেঁচে আছে মানুষের স্মৃতিতে।

💬 আপনারা কি “সিং ধরিয়ার নদী” নামটা শুনেছেন আগে? কমেন্টে জানান👇



#বাংলার_ঐতিহ্য #আমার_গ্রাম #আমার_ইতিহাস

প্রতি বছর একই চিত্র—সাধারণ মানুষ পরিবারে ফিরতে চায়,আর সেই সময়েই ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়া হয় দ্বিগুণ-তিনগুণ!প্রশ্ন করছি—সরকার কো...
19/03/2026

প্রতি বছর একই চিত্র—
সাধারণ মানুষ পরিবারে ফিরতে চায়,
আর সেই সময়েই ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়া হয় দ্বিগুণ-তিনগুণ!

প্রশ্ন করছি—
সরকার কোথায়?
নিয়ন্ত্রণ কোথায়?
আইন কি শুধু কাগজেই আছে?

বাস, ট্রেন, লঞ্চ—সবখানেই যদি একই অবস্থা হয়,
তাহলে সাধারণ মানুষের ভরসা কোথায়?

মানুষ কি ঈদে বাড়ি যাবে,
না ভাড়ার ভয় নিয়ে বসে থাকবে?

সময় এসেছে জবাবদিহির।
সময় এসেছে ব্যবস্থা নেওয়ার।

ইনসাফের লড়াই চলবেই।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ🇧🇩

গ্রাম্য পলিটিক্স কি জিনিস ভাই, না জানলে বুঝবেনা। বৃহত্তর চরে আছে বাক্তার চর, খুনের চর, আলুকান্দা, ঘোষকান্দা, মধ্যের চর। ...
15/03/2026

গ্রাম্য পলিটিক্স কি জিনিস ভাই, না জানলে বুঝবেনা।
বৃহত্তর চরে আছে বাক্তার চর, খুনের চর, আলুকান্দা, ঘোষকান্দা, মধ্যের চর। এখানে কিভাবে রাজনীতির দোলা চলে।

2.0

Address

Road No-04,Konda,South Keraniganj
Dhaka
1310

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বৃহত্তর চরাঞ্চল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category