Bongo Bhumi News

Bongo Bhumi News Bongo Bhumi News
খবর শুধু নয়, বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি।
রাজনীতি, সমাজ ও ট্রেন্ডিং আপডেট—সব এক জায়গায়।

নবান্নে বিরোধী নেতার সৌজন্য সাক্ষাৎ ও আপ্যায়নের প্রেক্ষিতে তৃণমূলের জ্যেষ্ঠ নেতা ও পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম মুখ্যমন্ত্রী ...
08/08/2026

নবান্নে বিরোধী নেতার সৌজন্য সাক্ষাৎ ও আপ্যায়নের প্রেক্ষিতে তৃণমূলের জ্যেষ্ঠ নেতা ও পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভূয়সী প্রশংসা করলেন।
রাজনৈতিক মতপার্থক্যকে ছাপিয়ে এমন আন্তরিক ও উষ্ণ অভ্যর্থনা এর আগে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কিংবা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলেও দেখা যায়নি বলে স্পষ্ট মন্তব্য করেছেন তিনি।

03/08/2026

🚩 বাংলাদেশের হিন্দুদের মুক্তির একমাত্র উপায় আলাদা স্বাধীন বঙ্গভূমি। বঙ্গভূমি রাষ্ট্র তৈরি করতে বঙ্গসেনায় যোগ দিন 🚩

🚩 আবারও সক্রিয় হচ্ছে বঙ্গসেনা বাহিনী নিয়ে তথ্য রিপোর্ট :বঙ্গভূমি আন্দোলন হলো বঙ্গসেনা দ্বারা 'বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ...
19/07/2026

🚩 আবারও সক্রিয় হচ্ছে বঙ্গসেনা বাহিনী নিয়ে

তথ্য রিপোর্ট :বঙ্গভূমি আন্দোলন হলো বঙ্গসেনা দ্বারা 'বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ২০,০০০ বর্গমাইল এলাকা নিয়ে একটি স্বাধীন হিন্দু রাষ্ট্র গঠনের দাবি জানানো হয়।'

বাংলাদেশে বাঙালি হিন্দুদের জন্য একটি দেশ গঠনের জন্য করা একটি আন্দোলন। যার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কালিদাস বৈদ্য।

হিন্দু প্রজাতন্ত্রী বঙ্গভূমি(Hindu Republic Bangabhumi)

১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তান সেনাবাহিনী দ্বারা নৃশংসতায় বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু শরণার্থীদের সমর্থন করার জন্য ১৯৭৩ সালে ভারতে এই আন্দোলন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল । তবে, সেই সময়ে এই আন্দোলন খুব বেশি সমর্থন পায়নি। ২০০১ সালে বিবিসি নিউজকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে এই আন্দোলনের অন্যতম অভিযুক্ত সংগঠক চিত্তরঞ্জন সুতার একটি নতুন জাতি গঠনের পক্ষে তার সমর্থন অস্বীকার করেছিলেন। ২০২৫ সাল নাগাদ ধারণা করা হচ্ছে যে উভয় দলই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং এর সংলগ্ন রাজ্যগুলোতে একই নামে কিছু স্বতন্ত্র আন্দোলন দেখা দিয়েছে। তবে, কোনো উদ্যোগই তেমন একটা সাড়া ফেলতে পারেনি।

বঙ্গ সেনা
দ্রুত তথ্য বঙ্গ সেনা সম্পর্কে:

২০০৪ সালে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) মহাপরিচালক অজয় রাজ শর্মার সাথে এক বৈঠকে বাংলাদেশ রাইফেলসের (বিডিআর) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, জঙ্গি সংগঠন বঙ্গ সেনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে অবস্থিত তাদের ঘাঁটিগুলো থেকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী ও বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। গ্লোবাল পলিটিশিয়ানে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে খোদেজা বেগম দাবি করেন বঙ্গ সেনাকে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে ভারতের সহায়তার অভিযোগ উত্থাপন করেন।

২০০৬ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বঙ্গ সেনার বাংলাদেশ বিরোধী কর্মকান্ড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন যে বাংলাদেশ প্রতিবেশী ভারতের সাথে একটি শান্তিপূর্ণ সীমান্ত চায় এবং উভয় দেশের সমন্বিত সীমান্ত টহলদারির ফলে পরিস্থিতির যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। একজন বাংলাদেশী কর্মকর্তা বলেন যে এই সংগঠনটি "বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি"।

২০০৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টাকালে বঙ্গ সেনার ৪০০ সদস্যকে ভারতে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঐ দিন সকাল থেকেই বাগদা থানা এলাকার অন্তর্গত উত্তর চব্বিশ পরগনার হেলেনচা নামক ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সংগঠনটির সদস্যরা সমবেত হতে শুরু করে।

২০০৪ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ রাইফেলসের মহাপরিচালক বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের মহাপরিচালকের কাছে উত্তর-পূর্ব ভারতের ত্রিপুরা ও আসাম রাজ্য এবং সংলগ্ন ভারতীয় প্রদেশগুলোতে অবশিষ্ট শান্তি বাহিনীর ঘাঁটিগুলোর একটি তালিকা পেশ করেন। উক্ত তালিকায় উল্লেখ করা হয় যে বঙ্গ সেনা, অন্যান্য কয়েকটি গোষ্ঠীর সাথে একত্রে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করত। ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব জানান, বঙ্গ সেনা এবং অন্যান্য বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে ভারত সহযোগিতা করবে। ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে আসামের কার্বি আংলং জেলার দুটি বেসরকারি সংস্থা - ডিফু সিটিজেন পিস ফোরাম এবং কার্বি হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিনিধিরা - মত প্রকাশ করেন যে বঙ্গ সেনা চাঁদাবাজির মতো অপরাধে যুক্ত এবং এটি এই অঞ্চলের শান্তির জন্য একটি বিপদ ডেকে আনতে পারে।

কিন্তু অসম প্রদেশ বঙ্গ সেনানায়ক নারায়ণ দাস এমন অভিযোগ অস্বীকার করে বলে, "বাংলাদেশ সরকার, BDR এবং ইসলামী এজেন্টরা বর্ডারে পারাপার করতে তাঁরা নিজেরাই চাঁদাবাজির সাথে জড়িত।"
আরও বলেন, বাংলাদেশের সকল সেটেলার সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসে ও সংখ্যালঘু ভূমিপুত্রদের উপর লুটপাট নির্যাতন চালিয়ে বারবার স্বাধীন হয়েছে এরকম দাবি করে৷ একটা বাংলাদেশ কতবার স্বাধীন হয়❓
সত্য এটাই যে ১৯৪৭সালের পরই আমরা সকল ভূমিপুত্র সংখ্যালঘুরা ৮০শতাংশ জমির মালিকানা থাকা সত্ত্বেও পরাধীন। আমাদের মাটি ফেরত চায়, তোমার জনসংখ্যা বেশি তোমরা কোথায় থাকবে আমাদের দেখার বিষয় নয়। খতিয়ান অনুযায়ী আমাদের মাটি বাংলাদেশ কে ফেরত দিতে হবে।
আর তাঁর সাথে গণহত্যার বিচার ও ক্ষতিপূরণ হিসাবে বাকি অংশের মাটির উপরও জরিমানা জারি করা হবে।"

-বর্তমানে কি বঙ্গসেনার অস্তিত্ব আছে ?
গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, অসম প্রদেশের অজ্ঞাত স্থানে বঙ্গভূমি সরকার বহুবছর পর পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করেছে।
তাঁদের দাবি বাংলাদেশে আলাদা প্রদেশের সমর্থনে কয়েক লাখ বঙ্গ সেনাবাহিনী সদস্য তৈরী হচ্ছে, যাঁরা রাজাকারদের গণহত্যার বিচার নেওয়ার জন্য প্রস্তুত।

বাংলাদেশ সরকারের গোয়েন্দা মহল এসব দাবি কে অযৌক্তিক ও হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছেন।

পশ্চিমবঙ্গের আইন-শৃঙ্খলা আবারও প্রশ্নের মুখে। তৃণমূল কংগ্রেসের ৬ জন কর্মী গো-হত্যা করে প্রকাশ্যে গোমাংস বিক্রি করছিল। স্...
18/07/2026

পশ্চিমবঙ্গের আইন-শৃঙ্খলা আবারও প্রশ্নের মুখে। তৃণমূল কংগ্রেসের ৬ জন কর্মী গো-হত্যা করে প্রকাশ্যে গোমাংস বিক্রি করছিল। স্থানীয় হিন্দু সমাজের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এই অবৈধ ব্যবসা চালাচ্ছিল তারা। কিন্তু বজরঙ্গ দলের তীব্র প্রতিবাদ ও সরব হয়ে ওঠার পর পুলিশ বাধ্য হয়ে তাদের গ্রেফতার করে জেলে পাঠিয়েছে।
এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করছে যে, তৃণমূলের ছত্রছায়ায় কীভাবে জিহাদি মানসিকতার লোকেরা হিন্দু সমাজের ধর্মীয় বিশ্বাসকে চ্যালেঞ্জ করে অবাধে অপরাধমূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। গো-হত্যা শুধু একটি অপরাধ নয়, এটি হিন্দুদের আবেগে সরাসরি আঘাত। বজরঙ্গ দলের কর্মীরা সময়মতো সোচ্চার না হলে হয়তো এই অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠত।
বজরঙ্গ দলের এই সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করছে স্থানীয় হিন্দু সমাজ। এই গ্রেফতারকে অনেকেই দেখছেন তৃণমূলের ‘জিহাদি আশ্রয়দাতা’ চেহারার আরেকটি উদাহরণ হিসেবে।

17/07/2026

বঙ্গসেনায় যোগ দিন, স্বাধীনতার লড়াইয়ে অংশ নিন!

🚩বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলায় এক উল্লেখযোগ্য ঘটনায় ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে শান্তির সনাতন ধর্মে ফিরে এসেছেন এক মুসলিম তরুণী...
15/07/2026

🚩বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলায় এক উল্লেখযোগ্য ঘটনায় ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে শান্তির সনাতন ধর্মে ফিরে এসেছেন এক মুসলিম তরুণী। তাঁর নাম লামিয়া আক্তার।
ইসলামে নারীর কোনো স্বাধীনতা নেই, শান্তি নেই — শুধু পুরুষের বন্দী জীবন। স্বামী অন্য নারীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখলেও প্রতিবাদ করা যায় না, একসঙ্গে তিন-চারটি বিয়ে হলেও মুখ বুজে সহ্য করতে হয়। এই অন্ধকার থেকে বেরিয়ে এসে লামিয়া তাঁর মুসলিম স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে সনাতনী যুবক উজ্জ্বল মালাকারকে বিয়ে করেছেন।
নবহিন্দু হয়ে নতুন জীবন শুরু করা এই সাহসী বোনকে বঙ্গভূমি রাষ্ট্রে'র বঙ্গসেনাদের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।
এই ঘটনা আরও একবার প্রমাণ করে — সনাতন ধর্মই নারীকে সত্যিকারের সম্মান, স্বাধীনতা ও শান্তি দেয়। লামিয়ার মতো আরও অনেক বোন যেন অন্ধকার থেকে আলোর পথে ফিরে আসেন, এই কামনা করি।
বাংলাদেশের হিন্দু জাগরণের এই ছোট ছোট আলোকবিন্দুগুলোই একদিন বড় পরিবর্তনের সূচনা করবে।
জয় শ্রী রাম! জয় সনাতন! জয় বঙ্গভূমি!

🚩হিন্দু বাঙালির শতাব্দী প্রাচীন দমিয়ে রাখা আজাদির আগুন আবার জ্বলে উঠেছে। বাংলাদেশের সীমানা ভেঙে সাবেক বৃহত্তর ছয় জেলা — ...
14/07/2026

🚩হিন্দু বাঙালির শতাব্দী প্রাচীন দমিয়ে রাখা আজাদির আগুন আবার জ্বলে উঠেছে। বাংলাদেশের সীমানা ভেঙে সাবেক বৃহত্তর ছয় জেলা — ফরিদপুর, যশোর, খুলনা, বরিশাল, কুষ্টিয়া ও পটুয়াখালী নিয়ে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ‘বঙ্গভূমি’ রাষ্ট্র গঠনের দাবি এখন আর কোনো স্বপ্ন নয়, বাস্তব আন্দোলনের রূপ নিয়েছে।

হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃত্বে চলা এই আন্দোলনের কর্মীরা স্পষ্ট বলছেন, বাংলাদেশে হিন্দু বাঙালিদের উপর চলা অব্যাহত নির্যাতন, মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ এবং গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের বিরুদ্ধে এটাই একমাত্র স্থায়ী সমাধান। ঐতিহাসিকভাবে এই ছয় জেলা ছিল হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকা। কিন্তু ১৯৪৭-এর পর থেকে পরিকল্পিতভাবে জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট করে হিন্দুদের সংখ্যালঘু করে দেওয়া হয়েছে। আজ সেই হিন্দু বাঙালিরা আর চুপ করে থাকতে রাজি নয়।

কেন বঙ্গভূমি?
সাংস্কৃতিক সুরক্ষা: মা কালীর মন্দির, পূজা-পার্বণ ও বাঙালি হিন্দু ঐতিহ্যকে রক্ষা করতে একটি নিজস্ব হিন্দু রাষ্ট্র অপরিহার্য।

নিরাপত্তা: প্রতিদিনের হামলা, খুন ও নারী নির্যাতন থেকে হিন্দু পরিবারগুলোকে বাঁচানোর একমাত্র উপায় স্বাধীনতা।

অর্থনৈতিক স্বাধীনতা: সমৃদ্ধ খুলনা-বরিশাল অঞ্চলের সম্পদ হিন্দু বাঙালিদের নিজেদের উন্নয়নে ব্যবহার করা।

আন্দোলনকারীরা বলছেন, “আমরা আর কোনো মিনতি করব না। আমরা আমাদের আজাদি চাই। বঙ্গভূমি হবে হিন্দু বাঙালির নিরাপদ আশ্রয়স্থল, যেখানে ধর্মের নামে জুলুম চলবে না।”

এই দাবির প্রতিধ্বনি এখন দেশ-বিদেশের হিন্দু সংগঠনগুলোতে ছড়িয়ে পড়ছে। পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও সমর্থন আসছে। অনেকে মনে করছেন, বাংলাদেশের বর্তমান অস্থিরতার মধ্যে এই দাবি আরও জোরালো হয়ে উঠবে।

'বঙ্গভূমি' রাষ্ট্র এখন শুধু স্লোগান নয়, হিন্দু বাঙালির অস্তিত্বের লড়াই।

যারা এখনও ঘুমিয়ে আছেন, তাদের জাগানোর সময় এসেছে। বঙ্গভূমি গঠনের জন্য সচেতন ভোট, ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন — এটাই এখন সময়ের দাবি।

জয় বঙ্গভূমি! জয় হিন্দু বাঙালির আজাদি!

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় ৮১ ফুট উঁচু রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে যিনি সনাতনী সমাজে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন, সেই হরি...
13/07/2026

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় ৮১ ফুট উঁচু রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে যিনি সনাতনী সমাজে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন, সেই হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে মানি লন্ডারিং মামলায় গ্রেফতার করেছে সিআইডি। এই গ্রেফতারকে অনেকেই দেখছেন শুধু আইনি প্রক্রিয়া নয়, বরং বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মীয় পুনর্জাগরণ ও মন্দির-মূর্তি নির্মাণের আন্দোলনকে দমিয়ে দেওয়ার একটি সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ হিসেবে।
হরিদাস বাবু সম্প্রতি রামচন্দ্রপুর গ্রামের প্রায় ২০০ বছরের পুরনো রাধা-গোবিন্দ কালী মন্দির চত্বরে বিশাল রামমূর্তি তৈরির ঘোষণা দিয়ে স্থানীয় সনাতনীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা জাগিয়েছিলেন।
বাংলাদেশে প্রতিদিন মন্দির ভাঙছে, হিন্দু বাড়িতে হামলা হচ্ছে, যুবতীরা নিরাপদ নয় — সেসব ক্ষেত্রে কি এত দ্রুত সিআইডি নামে? অথচ একজন হিন্দু যিনি রামমূর্তি বানাতে চান, তাঁকে তাড়াতাড়ি গ্রেফতার! এটা কি হিন্দু জাগরণকে দমনের নতুন কৌশল?
হরিদাস দাসের গ্রেফতার সনাতনী হিন্দুদের জন্য একটি সতর্কবার্তা। যদি মূর্তি নির্মাণের কারণে মামলা দিয়ে চুপ করানো হয়, তাহলে বাংলাদেশের হিন্দুরা আর কতদিন চুপ করে থাকবে? স্বাধীন বঙ্গভূমি হিন্দু রাষ্ট্র এখন তাই সময়ের দাবি। বাংলাদেশকে ভেঙ্গে আলাদা হিন্দুদের স্বাধীন ভূমি তৈরিই এখন সকল হিন্দুদের ধ্যান জ্ঞান হওয়া উচিত ও দলে দলে বঙ্গসেনায় যোগ দিন।
রামের মূর্তি নয়, রামের আদর্শ ও হিন্দু অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইকে কেউ দমাতে পারবে না! জয় বঙ্গভূমি, জয় বঙ্গসেনা।

রাজ্য রাজনীতিতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) নিয়ে তুমুল আলোচনা ও বিতর্কের মধ্যে একেবারে ঝড় তুলে দিলেন বর্ষীয়...
12/07/2026

রাজ্য রাজনীতিতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) নিয়ে তুমুল আলোচনা ও বিতর্কের মধ্যে একেবারে ঝড় তুলে দিলেন বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা তথাগত রায়।

তিনি স্পষ্ট ও অনড় ভাষায় বলেছেন, “যাদের UCC বিল পোষাবে না, তাঁরা দেশ ছেড়ে চলে যান।”

এই মন্তব্যের মাধ্যমে তথাগত রায় একদিকে যেমন সেকুলারদের আরামের ঘুম ভাঙিয়ে দিয়েছেন, তেমনি UCC-কে জাতীয় স্তরে বাস্তবায়নের দৃঢ় রাজনৈতিক সংকল্পকেও সামনে এনেছেন। দীর্ঘদিন ধরে একাধিক ধর্মীয় গোষ্ঠীর বিশেষ সুবিধা ও আলাদা আইনের বলয় ভেঙে এক দেশ-এক আইনের নীতি প্রতিষ্ঠায় যাঁরা বাধা দিচ্ছেন, তাঁদের জন্য এটি একটি সরাসরি চ্যালেঞ্জ।

বিজেপির এই প্রবীণ নেতার কথায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে — ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক নীতির সঙ্গে আপস নয়। যারা সমান আইন মানতে প্রস্তুত নন, তাঁদের জন্য দেশে থাকার জায়গা নেই।

এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়তে চলেছে। UCC নিয়ে এখন আর শুধু আলোচনা নয়, এটি এখন সরাসরি সংকল্প ও স্পষ্ট অবস্থানের লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে।

উজবেকিস্তানে মেডিকেল পড়তে গিয়ে চরম মূল্য দিতে হল কেরালার এক হিন্দু ছাত্রীকে। সহপাঠীর ক্রমাগত ধর্মান্তরের চাপ ও শারীরিক ন...
11/07/2026

উজবেকিস্তানে মেডিকেল পড়তে গিয়ে চরম মূল্য দিতে হল কেরালার এক হিন্দু ছাত্রীকে। সহপাঠীর ক্রমাগত ধর্মান্তরের চাপ ও শারীরিক নির্যাতন সহ্য করেও যখন তিনি অটল রইলেন, তখনই ঘটল নৃশংস ঘটনা।
মৃত ছাত্রীর নাম সাওয়ারিয়া বসন্ত। তিনি কেরালার একজন উজ্জ্বল মেধাবী শিক্ষার্থী। উজবেকিস্তানে মেডিকেল পড়াশোনা করতে গিয়ে তাঁর সহপাঠী মোঃ সদরুল তাঁকে বারবার ধর্মান্তরিত হতে চাপ দিতে থাকে। শুধু চাপই নয়, একাধিকবার শারীরিক হেনস্থাও করা হয়েছে বলে জানা গেছে। কিন্তু সাওয়ারিয়া প্রতিবারই দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেন।
অবশেষে সহপাঠীদের সামনেই নৃশংসভাবে পিটিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়। তাঁর সারা শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। অন্যান্য ভারতীয় শিক্ষার্থীরা এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, মোঃ সদরুলকে বহুবার সাওয়ারিয়াকে জোর করে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
ভারত সরকার ইতিমধ্যে উজবেকিস্তান সরকারকে পুরো ঘটনা অবহিত করেছে। উজবেকিস্তানের তদন্তকারীরা মোঃ সদরুলকে গ্রেফতার করেছে। ভারত সরকার এখন তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করছে বিদেশে পড়তে যাওয়া বিশেষ করে হিন্দু ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি। ধর্মান্তরের চাপ, লাভ জিহাদের ছায়া এবং নিরাপত্তাহীনতা এখন শুধু দেশের ভিতরে নয়, বিদেশের মাটিতেও ভারতীয় ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সাওয়ারিয়ার মতো অসংখ্য মেধাবী মেয়ের ভবিষ্যৎ যাতে এভাবে ছিনিয়ে না নেওয়া হয়, সেজন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও দ্রুত বিচারের দাবি উঠছে।

Address

Kolkata
273407

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bongo Bhumi News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share