মোঃ নজরুল ইসলাম

মোঃ নজরুল ইসলাম Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from মোঃ নজরুল ইসলাম, Convenience Store, Faidabad, Dakshin Khan, Uttara, Dhaka-1230, Dhaka.

আসসালামুয়ালাইকুম, আমার এই পেজ টিতে আপনাকে স্বাগতম। আমি কিছু সার্জিক্যাল আইটেম সুলভ মূল্যে বিক্রি করে থাকি। যেমন Lumber corset belt, knee support, knee cap, anklet, over head pulley, cervical traction , pelvic traction ইত্যাদি। পাশাপাশি সো পিচ নিয়ে আসছে

বুঝা গেল এই পা+ পথের যোদ্ধা সব জায়গাতেই আছে।
01/08/2026

বুঝা গেল এই পা+ পথের যোদ্ধা সব জায়গাতেই আছে।

27/07/2026

বিশ্বের অন্যান্য দেশে আইন থাকলেও বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত টুথপেস্টে মা...

27/07/2026
26/07/2026

যে ৮ টুথপেস্টে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া প্রচলিত টুথপেস্টের প্রায় চারটির মধ্যে ৩ টিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত করেছে পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা (ইএসডিও)।
সংস্থাটির এক বছরের গবেষণায় বাজার থেকে সংগ্রহ করা ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনার মধ্যে ২৬টিতে, অর্থাৎ ৭৬.৫ শতাংশ নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। তবে এর মধ্যে ৮ টি টুথপেস্টে কোন মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি
মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি ৮ টি টুথপেস্ট-র তালিকা:
১. জেনফ্রেশ (দেশীয় ব্র্যান্ড) ২. প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) (দেশীয় ব্র্যান্ড) ৩. ক্লোজ-আপ রেড-হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজি (দেশীয় ব্র্যান্ড) ৪. প্যারোডনট্যাক্স এক্সপার্ট গাম কেয়ার (ভারত) ৫. সেনসোডাইন ফ্রেশ জেল (ভারত) ৬. কোলগেট ম্যাক্সফ্রেশ (ভারত) ৭. কোলগেট অ্যাক্টিভ সল্ট (ভারত) ৮. কুডুমু – অরেঞ্জ (থাইল্যান্ড)

যে ২৬ টুথপেস্টে বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া প্রচলিত টুথপেস্টের প্রায় চারটির মধ্যে তিনটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত করেছে পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা (ইএসডিও)।
সংস্থাটির এক বছরের গবেষণায় বাজার থেকে সংগ্রহ করা ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনার মধ্যে ২৬টিতে, অর্থাৎ ৭৬.৫ শতাংশ নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।
মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া ২৬টি টুথপেস্ট ও কণার পরিমাণের (প্রতি ১০০ গ্রামে) তালিকা:
১. মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেল: ৩২০টি কণা
২. ক্লোজ আপ রেড হট: ১৬০টি কণা
৩. ক্লোজআপ মেন্থল ফ্রেশ: ১৬০টি কণা
৪. কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা-স্ট্রবেরি: ১৪০টি কণা
৫. সিগন্যাল গ্রিন টি: ১২০টি কণা
৬. পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্ট: ১০০টি কণা
৭. হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ার: ১০০টি কণা
৮. সেনসোডাইন ফ্রেশ মিন্ট: ৮০টি কণা
৯. পেপসোডেন্ট সেনসিটিভ এক্সপার্ট: ৬০টি কণা
১০. হোয়াইট প্লাস রেড: ৬০টি কণা
১১. হোয়াইট প্লাস প্রো সেনসিটিভ জেল: ৬০টি কণা
১২. মেরিল বেবি-স্ট্রবেরি: ৬০টি কণা
১৩. সিগন্যাল হোয়াইটেনিং: ৬০টি কণা
১৪. মেডিপ্লাস টিজিপি ফর্মুলা টুথপেস্ট: ৬০টি কণা
১৫. এএম.পিএম. হার্বাল টুথপেস্ট: ৪০টি কণা
১৬. মেডিপ্লাস ডিএস: ৪০টি কণা
১৭. পেপসোডেন্ট জার্মিচেক+: ৪০টি কণা
১৮. মেরিল বেবি-অরেঞ্জ: ৪০টি কণা
১৯. ম্যাজিক হার্বাল: ৪০টি কণা
২০. মেসবাক: ৪০টি কণা
২১. ক্লোজআপ মেন্থল ফ্রেশ স্যাশে: ৪০টি কণা
২২. ডেন্টিন জেল টুথপেস্ট: ২০টি কণা
২৩. পেপসোডেন্ট কিডস-অরেঞ্জ: ২০টি কণা
২৪. ক্লোজ আপ লেমন সি সল্ট: ২০টি কণা
২৫. ব্রাশ আপ হোয়াইটেনিং জেল: ২০টি কণা
২৬. হোয়াইট প্লাস প্রো সেনসিটিভ: ২০টি কণা
Collected

এনপিবি ডেস্ক

Send a message to learn more

18/07/2026

'খিলগাঁও এলাকায় পাওয়া গেছে, ঠিকানা বলতে পারেনা'
#শেয়ার করে পরিবার খুঁজে পেতে সহযোগিতা করুন'

দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো বড় ইবাদত lশরীরের একটা আঙুলে কাঁটা ফুটলে সারা শরীর টের পায়—ঘুম নষ্ট হয়, জ্বর আসে, মনোযো...
15/07/2026

দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো বড় ইবাদত l
শরীরের একটা আঙুলে কাঁটা ফুটলে সারা শরীর টের পায়—ঘুম নষ্ট হয়, জ্বর আসে, মনোযোগ সরে যায় সেই একটা বিন্দুতে। নবীজি (সা.) মুমিনদের পারস্পরিক সম্পর্ককে ঠিক এই উপমা দিয়েই বুঝিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, ‘মুমিনদের পারস্পরিক ভালোবাসা, দয়া ও সহানুভূতির উদাহরণ একটা দেহের মতো। দেহের কোনো একটা অঙ্গ আক্রান্ত হলে সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অনিদ্রা ও জ্বরে আক্রান্ত হয়ে তার সঙ্গে সাড়া দেয়।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬০১১)

এই একটা উপমাই আসলে ইসলামে দুর্যোগের মুহূর্তের নীতিশাস্ত্রের ভিত্তি। বন্যা, ভূমিকম্প, দুর্ভিক্ষ, মহামারি—যুগে যুগে যে নামেই বিপর্যয় আসুক, প্রশ্নটা সব সময় একই থাকে: শরীরের বাকি অংশ কি সাড়া দেবে, নাকি অসাড় থেকে যাবে? একটি হাদিসের তিনটি স্তর
হাদিসবিশারদগণ এই একটি হাদিসের মধ্যেই কাছাকাছি অর্থের তিনটি শব্দ খুঁজে পেয়েছেন: ‘তারাহুম’, ‘তাওয়াদ’ ও ‘তাআতুফ’।

‘তারাহুম’ হলো ইমানি ভ্রাতৃত্বের টানে সম্পূর্ণ নিঃস্বার্থভাবে একে অন্যের প্রতি দয়া-মায়ার আচরণ।

‘তাওয়াদ’ হলো এমন আচরণ, যা অন্তরে স্থায়ী ভালোবাসা সঞ্চার করে। যেমন খোঁজখবর নেওয়া, বিপদে পাশে দাঁড়ানো, উপহার বিনিময়।

‘তাআতুফ’ মানে গভীর মায়ার সঙ্গে বৈষয়িক সাহায্য করা, বিপদের সময় পরম আশ্রয় হওয়া। (ইবনে হাজার আল-আসকালানি, ফাতহুল বারি ফি শারহি সহিহিল বুখারি, ১০/৫৪০, দারুস সালাম, রিয়াদ, ২০০০)তিনটি শব্দ মিলে যে চিত্র আঁকে, তা হলো, সমবেদনা কেবল অনুভূতির স্তরে থেমে থাকে না, তা রূপান্তরিত হয় বাস্তব সহযোগিতায়। অন্যের সুখে সুখী হওয়া যত সহজ, দুঃখ ভাগ নেওয়া ঠিক তত কঠিন। আর এই কঠিন কাজটিই নবীজি মুমিনের সংজ্ঞার অংশ করে দিয়েছেন।

যে দান সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ সফলকাম ও পুণ্যবানদের পরিচয় দিতে গিয়ে নির্দিষ্ট করে বলেছেন, ‘অথবা দুর্ভিক্ষের দিনে অন্নদান করা এতিম নিকটাত্মীয়কে, অথবা ধূলি-ধূসরিত মিসকিনকে।’ (সুরা বালাদ, আয়াত: ১৪-১৬)

এখানে সাধারণ দানের কথা নয়, বলা হয়েছে ‘দুর্ভিক্ষের দিনে’ দানের কথা। যখন নিজের হাতেও টান পড়ে, তখনকার দানকেই বিশেষভাবে মূল্য দেওয়া হয়েছে। প্রাচুর্যের সময়ের দান আর সংকটের সময়ের দান এক ওজনের নয়। এই নীতিরই সম্প্রসারণ রয়েছে নবীজির (সা.) আরেকটি বাণীতে, ‘দয়াশীলদের প্রতি পরম দয়াময় আল্লাহ দয়া করেন। তোমরা পৃথিবীর অধিবাসীদের প্রতি দয়া করো, আসমানের অধিপতি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪৯৪১)

এই হাদিসটি তাফসিরকারগণ সুরা বালাদের ওই আয়াতগুলোর ব্যাখ্যাতেও উদ্ধৃত করে থাকেন।

সংকটে শত্রুকে নবীজির সহায়তা
এই নীতির সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হয়েছিলেন নবীজি নিজেই। হোদাইবিয়ার সন্ধির পর মক্কায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। এ সময় মানুষ খাদ্যের অভাবে চামড়া আর হাড় চিবিয়ে খাচ্ছিল।

মক্কার নেতা আবু সুফিয়ান, যিনি তখনো ইসলাম গ্রহণ করেননি এবং যাঁর নেতৃত্বে মুসলিমরা বছরের পর বছর নির্যাতিত হয়েছিল, তিনি মদিনায় এসে নবীজির (সা.) কাছে সাহায্যের আবেদন জানান।

নবীজি (সা.) পুরোনো সব শত্রুতা ভুলে মক্কার অভুক্ত মানুষের জন্য খাদ্যসামগ্রী ও খেজুরের ত্রাণ পাঠান, যা আবু সুফিয়ান ও সাফওয়ান ইবনে উমাইয়ার মাধ্যমে মক্কার দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করা হয়। জানা যায়, এই ত্রাণের পরিমাণ ছিল পাঁচশত দিনার (স্বর্ণমুদ্রা)।

তখন এক দিনারে একটি বকরি কেনা যেত। (কুরতুবি, আল-জামি লি-আহকামিল কুরআন, ১৮/২৩৩, দারুল কুতুব আল-মিসরিয়্যাহ, কায়রো)

দেখা যাচ্ছে এখানে সাহায্যপ্রাপ্ত মানুষেরা মিত্র ছিলেন না, আত্মীয় ছিলেন না, এমনকি সহধর্মেরও ছিলেন না। তাঁরা ছিলেন সেই মানুষ, যাঁদের হাতে মুসলিমরা বছরের পর বছর নিপীড়িত হয়েছে।

‘এক দেহ’-এর উপমাটা তাই এখানে তার সর্বোচ্চ সীমায় পরীক্ষিত হয়। সমবেদনা যদি শুধু নিজের গোষ্ঠীর ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে তা নীতি নয়, নিছক গোত্রপ্রীতি হয়। নবীজির এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে, ইসলামে মানবিক সাহায্যের ভিত্তি ধর্ম-পরিচয় নয়, বরং মানুষের কষ্ট।
শেষ কথা
এই একই পরীক্ষা প্রতিটি প্রজন্মের সামনে নতুন রূপে হাজির হয় কখনো বন্যা, কখনো ভূমিকম্প, কখনো মহামারি বা দুর্ভিক্ষ রূপে। শরীরের বাকি অংশ কি সাড়া দেয় এখন? আমরা কি একটি শুকনো খাবারের প্যাকেট, এক বোতল বিশুদ্ধ পানি, সামর্থ্য অনুযায়ী সামান্য অর্থ নিয়েও এগিয়ে যাচ্ছি?

আমাদের প্রত্যেকের এই সাড়া হয়তো ছোট, কিন্তু ‘এক দেহ’-এর উপমায় কোনো অংশই ‘ছোট’ থাকে না। জ্বরটা পুরো শরীরেই ছড়ায়, শুধু আক্রান্ত অঙ্গে নয়।

এই বোঝাপড়া থেকেই বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে আসা আমাদের অপরিহার্য কর্তব্য। আমাদের চেষ্টা আল্লাহর রহমত ও সন্তুষ্টি অর্জনের এক অনন্য মাধ্যম হবে নিশ্চয়ই।

মাহমুদ হাসান ফাহিম : শিক্ষক, বাইতুল আকরাম মসজিদ ও মাদ্রাসা কমপ্লেক্স, টঙ্গী
Collected: https://www.prothomalo.com/religion/islam/wyg9ghl4j7

নবীজি (সা.) যেভাবে নামাজের সময়সীমা শিক্ষা দিয়েছেন lএকবার নবীজির কাছে এক সাহাবি এলেন নামাজের ওয়াক্ত জানতে। সাহাবিকে নবীজি...
11/07/2026

নবীজি (সা.) যেভাবে নামাজের সময়সীমা শিক্ষা দিয়েছেন l

একবার নবীজির কাছে এক সাহাবি এলেন নামাজের ওয়াক্ত জানতে। সাহাবিকে নবীজি মৌখিক উত্তর দিলেন না। যেতেও দিলেন না সেদিন। নিজের কাছে রেখে দিলেন দুই দিন।

এই দুই দিন ধরে চলবে তাঁর হাতে–কলমে পাঠদান। নবীজি (সা.) বললেন, ‘দুই দিন আমাদের সঙ্গে নামাজ পড়ো, তবেই সব বুঝে যাবে।’

নবীজির এই নির্দেশ দ্বারা বোঝা যায়, সাহাবির বাড়ি ছিল মদিনার বাইরে। নয়তো তাঁর এমনিতেই নবীজির মসজিদে নামাজ পড়ার কথা।

প্রথম দিন দুপুরে সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়লে তিনি বেলালকে জোহরের আজান দিতে বললেন। বেলাল আজান দিলেন। তাঁর ইকামতে নামাজ হলো জোহরের। এরপর নবীজি আবার আজান দিতে বললেন বেলালকে।

সূর্য তখনো বেশ ওপরে এবং সূর্যের শরীর ঝলমল করছে আলোয়। বেলাল (রা.) আজান দিলেন। এই আজান আসরের। সাহাবিরা বেলালের আজান ইকামতে আসরের নামাজ পড়লেন নবীজির পেছনে।সূর্য যখন ডুবে গেল, নবীজি (সা.) মাগরিবের আজানের আদেশ দিলেন। তারপর সবাইকে নিয়ে তিনি মাগরিবের নামাজ পড়লেন। খানিক পর আকাশ থেকে যখন সূর্যাস্তের লাল আভা দূর হয়ে গেল, নবীজি এবার আদেশ করলেন ইশার আজান দিতে। বেলাল আজান দিলেন। সেই সাহাবিসহ সবাই ইশার নামাজ পড়লেন।

ইশার নামাজ শেষে রাতের অন্ধকার ছেয়ে ফেলল মদিনাকে। মুসলিম জনপদ ঘুমিয়ে পড়ল। প্রশ্নকর্তা সাহাবিও ঘুমালেন মসজিদের আশপাশে কারও বাড়িতে।

আরামদায়ক নিদ্রা শেষে এরপর যখন সুবহে সাদিক হলো, নবীজি (সা.) আদেশ করলেন ফজরের আজান দিতে। বেলাল আজান দিলেন। চরাচরে অন্ধকার থাকতেই নবীজি ফজরের নামাজ পড়লেন।

এভাবেই অতিবাহিত হলো প্রথম দিন।

দ্বিতীয় দিনে নবীজি (সা.) জোহরের নামাজ পড়লেন বেশ দেরিতে, রোদের তাপ ও তীব্রতা আরামদায়ক হওয়ার পর। আসরের নামাজও পড়লেন আগের দিনের তুলনায় দেরিতে, সূর্যের গায়ে কমলা রং ধরার কিছুটা আগে।

আর মাগরিব পড়লেন রক্তিম আভা ডুবে যাওয়ার খানিক আগে। ইশা পড়লেন রাতের এক–তৃতীয়াংশ অতিবাহিত হওয়ার পর। আর ফজর পড়লেন তখন, যখন পূর্ব দিগন্ত পরিষ্কার হতে শুরু করেছে।

এরপর তিনি উচ্চকণ্ঠে জিজ্ঞাসা করলেন, নামাজের ওয়াক্ত জানতে চাওয়া সেই প্রশ্নকর্তা কোথায়?

সাহাবি এগিয়ে এসে নরম কণ্ঠে বললেন, ‘আল্লাহর রাসুল, এই তো আমি।’

নবীজি (সা.) বললেন, গত দুই দিন যে দুই সময়ে প্রতি ওয়াক্তের নামাজ পড়া হয়েছে, এই দুই সময়ের মাঝে হলো তোমাদের জন্য সেই ওয়াক্তের নামাজ।

এই হলো একজন শিক্ষক নবীর পাঠদানের পদ্ধতি। তিনি চাইলে মুখেই সাহাবির প্রশ্নের জবাব দিয়ে বিদায় করতে পারতেন, কিন্তু তিনি তা করেননি। শিক্ষাদানে তিনি এমন এক অভিনব পদ্ধতির আশ্রয় নিয়েছেন, শিক্ষার্থী যত দুর্বল মেধার অধিকারী হোক, ভুলে যাওয়ার তাঁর কোনো উপায়ই নেই।

শিক্ষার্থী নিজের জীবন যখন উত্তরের ভেতর দিয়ে জারিত হন, তখন তাঁর আর ভুলে যাওয়ার কোনো উপায়ই থাকে না। এভাবেই নবীজি (সা.) স্থান-কাল-পাত্রভেদে একেক সাহাবিকে একেকভাবে শিক্ষাদান করতেন। Collected fro https://www.prothomalo.com/religion/islam/dv87n494cl

Address

Faidabad, Dakshin Khan, Uttara, Dhaka-1230
Dhaka
2000

Telephone

+8801916923902

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মোঃ নজরুল ইসলাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to মোঃ নজরুল ইসলাম:

Shortcuts

Share